ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের টিকিট বিক্রির টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা: রেলওয়ে স্টাফকে প্রাণনাশের হুমকি

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের টিকিট বিক্রির টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা: রেলওয়ে স্টাফকে প্রাণনাশের হুমকি



​নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া


 ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টার স্টাফদের পথরোধ করে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। গতকাল রাতে ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার পথে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবকের নাম রবিন, সে স্থানীয় উত্তর মৌড়াইল মহল্লার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট বিক্রি শেষে ক্যাশ টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন রেলওয়ের কাউন্টার স্টাফরা। তারা স্টেশন সংলগ্ন রাস্তায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রবিন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের পথরোধ করে। সে সময় সে জোরপূর্বক টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

​আক্রান্ত স্টাফরা তাৎক্ষণিক চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। জনসমাগম দেখে ছিনতাইকারী রবিন ব্যর্থ হয়ে পিছু হটে। তবে পালিয়ে যাওয়ার সময় সে রেলওয়ে স্টাফদের দেখে নেওয়ার এবং ভবিষ্যতে বড় ধরণের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে।

​রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে যদি স্টাফরা এভাবে হামলার শিকার হন, তবে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। স্থানীয় সন্ত্রাসীদের এমন দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ রেলওয়ে কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত রবিনকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন। সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন:

​ সিসিটিভি ফুটেজ বা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে রবিনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

রেলওয়ে স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করতে হবে যাতে কর্মীরা নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারেন।


​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরণের ছিনতাইকারীদের  সময়মতো দমন না করলে রেলওয়ের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে স্টেশন এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments